বৈদ্যুতিক পরিমাপক যন্ত্রসমূহের পরিচিতি এবং ব্যবহার।

Identification use of electrical measuring instruments

ভূমিকা ( Introduction ) 

ভিন্ন বৈদ্যুতিক বাশি পরিমাণের জন্য বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্র ব্যব পরিমাপনে ব্যবহৃত হলে তা মিটারের ভায়ালের লেখা থেকে বুঝা যাবে । একটি মিটারের জারালে একক ছাড়ার আরও কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য থাকতে পারে ,

যেমন মিটারটি পাড়াভাবে না শোয়ানো অবস্থায় পাঠ নিতে হলে , মিটার ACCOM ic উচ্চাটিতেই কাজ করবে , সর্বনিমা সর্বোচ্চ কত হতে হলে , সর্বোচ্চ মান পরিমাপন যোগ্যতা , ইত্যাদি । সাকারে বিভিন্ন ধরনের এবং বিভিন্ন দামের পরিমাপক যন্ত্রাদি পাওয়া যায় । যে মিটারগুলো তুলনামূলকভাবে দামি সেগুলোতে পাঠকরা ( Accuracy ) ( Stability )বেশি।

Detailed discussion about generator

উদ্দেশ্য  ( Objective )

 ১। বিভিন্ন প্রকার ইলেকট্রিক্যাল মেজারিং 

 ২। প্রতিটি মিটার কীভাবে সংযোগ করতে হয় , তা জানা । 

 ৩। কীভাবে প্রতিটির পাঠ নিতে ও হিসেব করতে হয় , তা জানা । ট্রুমেন্ট চিহ্নিতকরণ সম্পর্কে জানা ।

তত্ত্ব  ( Theory )

অ্যামিটাঃ যে মিটারের সাহায্যে কারেন্ট পরিমাপ করা যায় , তাকে আমিটার বলে । কারেন্টের একক অ্যাম্পিয়ার । অ্যামিটার সবসময়ই লোডের সাথে সিরিজে সংযোগ করতে হয় । কখনও ভুলে প্যারালালে সংযোগ করলে মিটারটি পুড়ে যাওয়ার সমূর সম্ভাবনা থাকে , কেননা এই মিটারের অভ্যন্তরীণ রোধ খুব কম থাকে । 


ভোল্টমিটার

যে মিটারের সাহায্যে ভোল্টেজ পরিমাপ করা হয় , তাকে ভোল্টমিটার বলে । ফোস্টেজের একক ভোল্ট । মিটার সবসময়ই প্যারালালভাবে সংযোগ করতে হয় । এর অভ্যন্তরীণ রোগ খুবই বেশি থাকে । তাই ভুলক্রমে যদি মিটারটি সিরিজে । সংযোগ করা হয় , তবে লোডটি কাজ করতে পারবে না , যেহেতু কারেন্ট খুব কম প্রবাহিত হয় । 

ওয়াটমিটার ॥

যে মিটারের সাহায্যে কোন লোডের পাওয়ার ( Power ) পরিমাপ করা হয় , তাকে ওয়াটমিটার বলে । তার একক ওয়াট । এই মিটারে দুটি কয়েল থাকে । একটির নাম কারেন্ট কয়েপ ( Current coil ) , সপে CC . অপরটির নাম কয়েপ ( Pressure coll ) PC CC টি লোডের সাথে সিরিজে সংযুক্ত থেকে আমিটারের ন্যায় এবং PC টি প্যারাসানে সংযুক্ত হয়ে ভোল্টমিটারের ন্যায় কাজ করে থাকে । মিটারের কোন কিন্তু কীভাবে সংযুক্ত হবে , তা মিটারের সাথে নির্মাণ কোম্পানির ক্যাটালগ বা সার্কিট ডায়াগ্রাম দেখে বলা যাবে । এ সকল ভায়াগ্রাম সাধারণত মিটারের সাথে দেয়া থাকে । উপর কাটালগে তো থাকেই । 


এনার্জি মিটার

যে মিটারের সাহায্যে এনার্জি পরিমাপ করা হয় , তাকে এনার্জি মিটার বলে । এনার্জি নিটারের পাঠ কিলোওয়াট আওয়ারে প্রকাশ করা হয় যা মিটারের ডায়াল থেকে বা রেজিস্টর থেকে পাওয়া যায় । এনার্জি মিটারের সংযোগের ক্ষেত্রে দুটি তার সরবরাহে এবং দুটি তার লোডের দিকে থাকে ।

সংযোগটি কীভাবে হয় এবং কোন ভারটি কোথায় যাবে তা মিটারের সাথে ইনস্ট্রাকশন থেকে জানা যায় । এনার্জি মিটারের পাঠ সঠিকভাবে পাওয়ার জন্যে মিটারটি ঠিক খাড়াভাবে রাখতে হবে । আজকাল ডিজিটাল এনার্জি মিটার বেরিয়েছে যার মান ডিজিটে বা অন্ধে প্রকাশিত হয় ।

সে সকল মিটারের সংযোগ ক্যাটালগ বা ইনস্ট্রাকশন থেকে জানা যায় । অনুরূপভাবে ফ্রিকুয়েন্সি মিটার , পাওয়ার ফ্যাক্টর মিটার , ওহমমিটার , ম্যাক্সিমাম ডিমান্ড নিটার ইত্যাদির দ্বারা পরিমাপন পদ্ধতি এসব মিটারের সাথে দেয়া ক্যাটালগের ইনস্ট্রাকশন অনুযায়ী জানা যায় ।

 এ সকল মিটারের মধ্যে যথেষ্ট উৎকর্ষতার জন্যে মাল্টিমিটার খুবই গ্রহণযোগ্য , কেননা এতই মিটারে বিভিন্ন রাশি পরিমাপ করাতো যায়ই , উপরম্ভ মাল্টিরেঞ্জ হওয়াতে একই মিটার দিয়ে কম এবং বেশি , বিভিন্ন মানের রাশি সঠিকভাবে পরিমাপ করা সম্ভব ।

আজকাল কোন কোন ডিজিটাল মাল্টিমিটারের একই মিটারে Voltage , Current , Ohm , Capacitance , Inductance , Temperature . Diode Testing . Transistor Testing . Transistor's Terminal Identification ইত্যাদি বিভিন্ন ব্যবস্থার সমাহার ঘটানো হয়েছে । ব্যবহার পদ্ধতিও খুবই সহজ ।

শুধুমাত্র সিলেক্টর নব পরিবর্তন এবং ডিসপ্লেতে সরাসরি পাঠ গ্রহণ সময় ও শ্রম উভাতেই সহজতম করে তুলেছে । পাশাপাশি নির্ভুলতার মানও খুবই গ্রহণযোগ্য ।

প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও মালামাল (Required instruments & materials) : 

১। বিভিন্ন রেঞ্জের এসি এবং ডিসি অ্যামিটার 

২। বিভিন্ন রেঞ্জের এসি এবং ডিসি ভোল্টমিটার 

৩। ওহমমিটার 

৪। ওয়াটমিটার 

৫। এনার্জি মিটার 

৬। পাওয়ার ফ্যাক্টর মিটার 

৭ । ফ্রিকুয়েন্সি মিটার 

৮। অ্যানালগ মাল্টিমিটার 

৯। ডিজিটাল মাল্টিমিটার 

১০। ম্যাক্সিমাম ডিমান্ড মিটার 

১১। হুক অন অ্যামিটার । 


মিটারের ডায়ালের ডায়াগ্রাম ও পাঠ নেয়ার পদ্ধতিঃ


কাজের ধাপ ( Procedure ) : 

১। বিভিন্ন প্রকার মিটার সংগ্রহ করার পর কোনটি কোন মিটার , তা ডায়ালের স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী শনাক্ত করতে হবে । 

২। কোনটি এসি , কোনটি ডিসি , কোনটি এসি ও ডিসি উভয় প্রকার সরবরাহে কাজ করবে , তা জানতে হবে এবং কোন্ মিটারকে কী অবস্থায় রেখে পাঠ নিতে হবে , তা জানতে হবে । 

৩। বিভিন্ন প্রকার মিটারের টার্মিনালসমূহ চিহ্নিত করতে হবে এবং সংযোগ পদ্ধতি জানতে হবে । 

৪। মিটারের পাঠ নেয়ার পদ্ধতি রপ্ত করতে হবে । উপরে মিটারের চিত্র দেয়া আছে , এর পাঠ নেয়ার পদ্ধতি রপ্ত করতে হবে । 


সাবধানতা ( Precaution ) :

১। মিটার আনা নেয়া , ব্যবহার করা , অর্থাৎ কোন অবস্থাতেই মিটারের গ্লাসের উপর হাতের চাপ যেন না পড়ে , সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে ।

২। " Zero Q " Adjustment এবং পয়েন্টারকে জিরো অ্যাডজাস্ট করার সময় সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে । 

৩। ওয়াটমিটার , এনার্জি মিটার অর্থাৎ যে সকল মিটারের সংযোগ পদ্ধতি কিছুটা জটিল সে সকল ক্ষেত্রে সংযোগ পদ্ধতিটি বার বার নিশ্চিত করতে হবে ।

 ৪। পাঠ নেয়ার সময় দৃষ্টিভ্রম ত্রুটিকে এড়ানোর কৌশল ব্যবহার করতে হবে । 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ