ওহমের সূত্র। Ohm's law Bangla.

ভূমিকা

হাজার ১৮২৮ সালে জার্মানি বিজ্ঞানের জর্জ সাইমন ওহম এই সূত্রটি নির্ণয় করেন। তার নাম অনুসারে সূত্রটির নামকরণ করা হয়েছে ওহম'স ল (Ohm's law)।

বৈদ্যুতিক পরিমাপক যন্ত্রসমূহের পরিচিতি এবং ব্যবহার।

সূত্রটিকে ইলেকট্রিক্যাল সার্কিট এর ক্ষেত্রে মূল সূত্র হিসেবে ধরা হয়। এই সূত্র ব্যবহার করে কারেন্ট, ভোল্টেজ, রেজিস্ট্যান্স এর মধ্যে সম্পর্কে এবং মান নির্ণয় করা যায়। 

Theory

অপরিবর্তিত থাকলে কোন পরিবাহীর দুইটি বিন্দুর মধ্যবর্তী বিভব পার্থক্যের মান এবং বিন্দুদ্বয়ের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কারেন্টের মানের অনুপাত একটি দ্রব্য সংখ্য। 

অর্থাৎ  V/I = Constant or V/I=R

এখানে, R হচ্ছে পরিবাহীটির উত্তর দুইটি বিন্দুর মধ্যবর্তী রোধের (Resistance) মান।

ভোল্টে,  কারেন্ট, এবং রেজিস্ট্যান্স এর বৈশিষ্ট্য রেখা আঁকা হলে দেখা যাবে যে, রেজিস্ট্যান্সের মান একটি সরলরেখা অনুসরণ করে, যা কনস্ট্যান্ট মানের বৈশিষ্ট্য। তবে এ সকল নন-মেটেরিয়ালস কন্টাক্টর, যেমন- সিলিকন কার্বাইড নন-লিনিয়ার ডিভাইস যেমন- জিনার ডায়োড, ইত্যাদির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ